৩০ লাখ টাকা খরচ করে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে
সদ্য যোগদানকারী বিএনপি নেতা ও চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেছেন, আমি এখন গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার। আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বিনষ্ট করতে একটি মহল ৩০ লাখ টাকা খরচ করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মিথ্যা মামলা সাজানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন এই ব্যবসায়ী নেতা।
শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর চাষাঢ়ায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেন।
বিএনপিতে সদ্যযোগদানকারী এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, তাকে মনোনয়নের দৌড় থেকে দূরে রাখতে এবং দলের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিএনপির ‘ঐতিহ্যবাহী একটি পরিবার’ এই জঘন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
মাসুদুজ্জামান মাসুদ দাবি করেন, যে গ্রপটিকে ভাড়া করা হয়েছে, তারাই এসে তাকে এই ষড়যন্ত্রের কথা জানিয়েছে। তিনি জানান, ঐ গ্রপের একজন প্রথমে আমাকে ফোন করে বলে, আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, আপনার সাথে এ ব্যপারে কথা বলতে চাই। পরে আমি তাদের আমার অফিসে আসতে বলি।
মাসুজ্জামান জানান, তারা অফিসে এসে তাকে জানানো হয় এই মামলার জন্য ৩০ লাখ টাকা ভাড়া ঠিক করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ১৫ লাখ টাকা অগ্রীম হিসেবে দেওয়া হয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে জানিয়েছে, তাদের কাছে মামলার যাবতীয় প্রমাণও তৈরি আছে।
ষড়যন্ত্রের প্রক্রিয়া জানিয়ে মাসুদ বলেন, মামলা হওয়ার পর পরই ভাড়াটে গ্রæপটি প্রায় এক হাজার লোক নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাবে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো কেন্দ্রে গিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে দলের কাছে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা এবং আমাকে যেনো কোনোভাবেই মনোনয়ন দেওয়া না হয়, সেই বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করা।
মাসুদুজ্জামান মাসুদ দৃঢ়তার সাথে দাবি করেন, তিনি ৩৫ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত এবং বিগত সময়েও তিনি নেতাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে দলের প্রতি আনুগত্য প্রমাণ করেছেন। তিনি ইতোমধ্যে এই ষড়যন্ত্রের বিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার, ডিএমপির বিভিন্ন দপ্তর সহ দলের শীর্ষনেতাদের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন মাসুদুজ্জামান মাসুদ।








আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...