রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
দল বদলে বহাল তবিয়তে ভূমিদস্যু ‘গোলাপ সিন্ডিকেট’: জাল দলিলে জমি দখলে অতিষ্ঠ সিদ্ধিরগঞ্জবাসী জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে শহরে জামায়াতের গণমিছিল নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা আড়াইহাজারে বিএনপি-জামায়াতের মিছিলে উত্তেজনা, মুখোমুখি অবস্থান ফতুল্লায় জামায়াতের সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত সিদ্ধিরগঞ্জে কেপিআইভুক্ত পদ্মা অয়েল ডিপোতে  কৃষক দল নেতার মহড়া : কর্মচারীদের হুমকি বিএনপি সদস্য সচিবের নাম না বলায় নাসিকের বাজেট সভা নিয়ে সমালোচনার ঝড় চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ সিদ্ধিরগঞ্জে মাইক্রোবাসে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, চালককে ছুরিকাঘাত নাসিরকে একহাত নিলেন বিএনপি নেতা টিপু

রমজান ও গাজী শেষ, এবার কি ব্লাক জনির পালা? আশার ‘নতুন চ্যালেঞ্জ’

বন্দর প্রতিনিধি / ১৮২ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে রাজপথে নেমেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. আবুল কালামের রাজনৈতিক সচিব ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউছার আশা। তাঁর নেতৃত্বে গত কয়েক দিনে ২৩নং ওয়ার্ডের দুই কুখ্যাত মাদক সম্রাট রমজান ও গাজীর আস্তানায় ঝটিকা হানা দিয়ে সেগুলো চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযানের পর জনমনে এখন একটিই প্রশ্ন—বন্দরের ত্রাস, অন্তত ২০টি মামলার আসামি ‘ব্লাক জনি’ কেন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে? ব্লাক জনির মাদক সাম্রাজ্য কি তবে কাউছার আশার জন্য নতুন এক অগ্নিপরীক্ষা?


‎স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল, রমজান ও গাজী ২৩নং ওয়ার্ডের জনজীবন বিষিয়ে তুলেছিল। তাদের গ্যারেজ ও আস্তানাগুলোতে প্রকাশ্যেই চলত মাদকের কারবার। জননেতা আবুল কাউছার আশা এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে সরাসরি এসব আস্তানায় হানা দেন এবং মাদক কারবারিদের এলাকা ছাড়ার কঠোর নির্দেশ দেন। তাঁর এই সাহসী ভূমিকায় এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনা অনেকাংশে কমেছে।

‎মাদকের বিরুদ্ধে যখন একের পর এক অভিযান সফল হচ্ছে, তখন ২০ মামলার দুর্ধর্ষ আসামি ব্লাক জনির নিরাপদে থাকা নিয়ে জনমনে নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।


‎অভিযোগ রয়েছে, জনি পুলিশের কতিপয় অসাধু সদস্যকে নিয়মিত ‘মাসোহারা’ দিয়ে এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তার বিশাল সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। খুচরা বিক্রেতারা ধরা পড়লেও ব্লাক জনির মতো ‘রাঘববোয়ালদের’ টিকিটিও ছুঁতে পারছে না প্রশাসন।


‎বন্দরের সচেতন মহল মনে করেন, মাদক ব্যবসায়ী রমজান ও গাজীকে এলাকাছাড়া করা যতটা সহজ ছিল, ব্লাক জনিকে নির্মূল করা তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। কারণ জনির পেছনে এক বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী ও অদৃশ্য কালো শক্তির হাত রয়েছে। বন্দরবাসী এখন অপলক চেয়ে আছে আবুল কাউছার আশার দিকে—তিনি কি পারবেন ২০ মামলার আসামি ব্লাক জনির সেই বিষাক্ত মাদক সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দিয়ে বন্দরকে শতভাগ মাদকমুক্ত করতে?

‎অভিযান প্রসঙ্গে আবুল কাউছার আশা স্পষ্ট জানিয়েছেন, “বন্দরকে আমি মাদকের জনপদ হতে দেব না। রমজান ও গাজী তো কেবল শুরু। যারা আমাদের সন্তানদের হাতে বিষ তুলে দিচ্ছে, তাদের সকল আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। অপরাধী যতো বড় শক্তিশালীই হোক, তাকে আইনের কাছে মাথা নত করতেই হবে।”

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর