রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সাংবাদিক স্বপন কুমার পোদ্দারের ইন্তেকাল রূপগঞ্জে দুর্গাপূজার অষ্টমীতে জাগো হিন্দু পরিষদের সেবাক্যাম্প উদ্বোধন তারেক রহমানই প্রথম পুরোহিতদের ভাতার প্রচলন করেছেন: খোরশেদ নারায়ণগঞ্জ ডিসি ও এসপিকে জার্নালিস্ট ইউনিটির সম্মাননা স্মারক প্রদান আশার ছত্রছায়ায় হাজি সেলিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সিদ্ধিরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টা ও ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ ফতুল্লায় বিএনপির বিরুদ্ধে এনসিপি নেতার উপর হামলার অভিযোগ বক্তাবলীতে ইটভাটা মালিকদের মতবিনিময় ষাটনলে লঞ্চ থেকে নামতে গিয়ে মেঘনায় নিখোঁজ নারায়ণগঞ্জের রবিন ফতুল্লার ভূঁইগড় বাজারে নিষিদ্ধ পিরানহা জব্দ, বিক্রেতাকে জরিমানা

রমজান ও গাজী শেষ, এবার কি ব্লাক জনির পালা? আশার ‘নতুন চ্যালেঞ্জ’

বন্দর প্রতিনিধি / ৩৯৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে রাজপথে নেমেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. আবুল কালামের রাজনৈতিক সচিব ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউছার আশা। তাঁর নেতৃত্বে গত কয়েক দিনে ২৩নং ওয়ার্ডের দুই কুখ্যাত মাদক সম্রাট রমজান ও গাজীর আস্তানায় ঝটিকা হানা দিয়ে সেগুলো চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযানের পর জনমনে এখন একটিই প্রশ্ন—বন্দরের ত্রাস, অন্তত ২০টি মামলার আসামি ‘ব্লাক জনি’ কেন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে? ব্লাক জনির মাদক সাম্রাজ্য কি তবে কাউছার আশার জন্য নতুন এক অগ্নিপরীক্ষা?
‎
‎
‎স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল, রমজান ও গাজী ২৩নং ওয়ার্ডের জনজীবন বিষিয়ে তুলেছিল। তাদের গ্যারেজ ও আস্তানাগুলোতে প্রকাশ্যেই চলত মাদকের কারবার। জননেতা আবুল কাউছার আশা এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে সরাসরি এসব আস্তানায় হানা দেন এবং মাদক কারবারিদের এলাকা ছাড়ার কঠোর নির্দেশ দেন। তাঁর এই সাহসী ভূমিকায় এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনা অনেকাংশে কমেছে।
‎
‎মাদকের বিরুদ্ধে যখন একের পর এক অভিযান সফল হচ্ছে, তখন ২০ মামলার দুর্ধর্ষ আসামি ব্লাক জনির নিরাপদে থাকা নিয়ে জনমনে নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।
‎
‎
‎অভিযোগ রয়েছে, জনি পুলিশের কতিপয় অসাধু সদস্যকে নিয়মিত ‘মাসোহারা’ দিয়ে এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তার বিশাল সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। খুচরা বিক্রেতারা ধরা পড়লেও ব্লাক জনির মতো ‘রাঘববোয়ালদের’ টিকিটিও ছুঁতে পারছে না প্রশাসন।
‎
‎
‎বন্দরের সচেতন মহল মনে করেন, মাদক ব্যবসায়ী রমজান ও গাজীকে এলাকাছাড়া করা যতটা সহজ ছিল, ব্লাক জনিকে নির্মূল করা তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। কারণ জনির পেছনে এক বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী ও অদৃশ্য কালো শক্তির হাত রয়েছে। বন্দরবাসী এখন অপলক চেয়ে আছে আবুল কাউছার আশার দিকে—তিনি কি পারবেন ২০ মামলার আসামি ব্লাক জনির সেই বিষাক্ত মাদক সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দিয়ে বন্দরকে শতভাগ মাদকমুক্ত করতে?
‎
‎অভিযান প্রসঙ্গে আবুল কাউছার আশা স্পষ্ট জানিয়েছেন, “বন্দরকে আমি মাদকের জনপদ হতে দেব না। রমজান ও গাজী তো কেবল শুরু। যারা আমাদের সন্তানদের হাতে বিষ তুলে দিচ্ছে, তাদের সকল আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। অপরাধী যতো বড় শক্তিশালীই হোক, তাকে আইনের কাছে মাথা নত করতেই হবে।”
‎

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর