সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের উচ্ছেদ অভিযানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ফের দখলে হকাররা
অভিযানের ঘন্টাখানিক পরে আবার হকাররা শুকরিয়া কিছু কিছু জায়গা দেখা গেছে এই অভিযান কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা আবার যার যার অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছি তাহলে কি তারা প্রশাসন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের সকলে মিলে যে ডিসিশন নিয়েছে এটা কি তারা মানে না
১৩ই এপ্রিল সোমবার বিকেলে উচ্ছেদ অভিযান সন্ধ্যা পর্যন্ত চললেও ফের একঘন্টা পরে দেখা যায় চাষাড়াতেই কিছু কিছু জায়গায় হকাররা আবার যার যার নির্ধারিত স্থানে বসে করেছেন।
চেটজিপি, শব্দ বর্ণ গুলো সঠিক করে পথচারীসহ সাধারণ মানুষের হকারদের নিয়ে কিছু বক্তব্য যুক্ত করে নিউজটা একটু বড় করে তৈরি করে দিবেন
সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের উচ্ছেদ অভিযানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ফের দখলে হকাররা
সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের নেতৃত্বে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানকে কার্যত বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আবারও ফুটপাত দখলে নেমেছে হকাররা। অভিযানের প্রায় এক ঘণ্টা পর থেকেই শহরের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে চাষাড়া এলাকায়, পুনরায় হকারদের বসতে দেখা যায়।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই উচ্ছেদ অভিযান সন্ধ্যা পর্যন্ত চললেও, অভিযান শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আগের চিত্র ফিরে আসে। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রশাসনের উপস্থিতি কমে যেতেই হকাররা দ্রুত তাদের নির্ধারিত ও অনির্ধারিত স্থানে দোকান বসাতে শুরু করে।
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত কি হকাররা মানছে না? নাকি অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে থেকেই যাচ্ছে বড় ধরনের ঘাটতি?
পথচারী ও সাধারণ মানুষের অভিযোগ, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার উদ্যোগ বারবার নেওয়া হলেও তা স্থায়ী হয় না। একাধিক পথচারী জানান, “ফুটপাত দিয়ে হাঁটা আমাদের অধিকার, কিন্তু হকারদের কারণে প্রতিদিনই আমাদের রাস্তায় নেমে চলাচল করতে হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।”
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, “প্রশাসন অভিযান চালায় ঠিকই, কিন্তু নিয়মিত তদারকি না থাকায় হকাররা আবার ফিরে আসে। এতে করে শহরের শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে।”
আরেকজন ভুক্তভোগী পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রতিবারই একই চিত্র দেখা যায়। অভিযান হয়, তারপর আবার দখল হয়ে যায়। এর স্থায়ী সমাধান দরকার।”
তবে হকারদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জীবিকার তাগিদেই তারা ফুটপাতে বসতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের মতে, বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে তারা কোথায় যাবে—এই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।
সচেতন মহলের মতে, শুধুমাত্র উচ্ছেদ অভিযান নয়, হকারদের জন্য পরিকল্পিত পুনর্বাসন এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে একটি টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, এ ধরনের অভিযান সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে কোনো কার্যকর ফল বয়ে আনবে না।








আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...