মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
রূপগঞ্জে দুর্গাপূজার অষ্টমীতে জাগো হিন্দু পরিষদের সেবাক্যাম্প উদ্বোধন তারেক রহমানই প্রথম পুরোহিতদের ভাতার প্রচলন করেছেন: খোরশেদ নারায়ণগঞ্জ ডিসি ও এসপিকে জার্নালিস্ট ইউনিটির সম্মাননা স্মারক প্রদান আশার ছত্রছায়ায় হাজি সেলিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সিদ্ধিরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টা ও ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ ফতুল্লায় বিএনপির বিরুদ্ধে এনসিপি নেতার উপর হামলার অভিযোগ বক্তাবলীতে ইটভাটা মালিকদের মতবিনিময় ষাটনলে লঞ্চ থেকে নামতে গিয়ে মেঘনায় নিখোঁজ নারায়ণগঞ্জের রবিন ফতুল্লার ভূঁইগড় বাজারে নিষিদ্ধ পিরানহা জব্দ, বিক্রেতাকে জরিমানা মহিলা কলেজের ছাত্রীরাই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবে: সাখাওয়াত

পদ্মা রেলসেতুর নিচে জলাভূমি পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে

খবর প্রতিদিন রিপোর্ট / ২১৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-মাওয়া অংশে নির্মিত ভায়াডাক্টের নিচে নির্মাণকাজের সময় তৈরি করা অস্থায়ী মাটির রাস্তা অপসারণ করে প্রকল্প এলাকার মূল জলাভূমি পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জে এ বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানা তিনি।

এসময় তিনি বলেন, ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভায়াডাক্টের নির্মাণকাজ ২০১৮ সালে শুরু হয়ে ২০২৩ সালে শেষ হয়েছে। নির্মাণকাজ চলাকালে ভারী যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সুবিধার্থে জলাভূমির ওপর অস্থায়ীভাবে মাটি ভরাট করে রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমানে প্রকল্পের ডিমোবিলাইজেশন পর্যায়ে সেই মাটি অপসারণ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রকল্প এলাকার পূর্ববর্তী অবস্থা সম্পর্কিত স্যাটেলাইট চিত্র এবং জলাভূমি জরিপে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, নির্মাণকাজের আগে এলাকাটি বিস্তীর্ণ জলাভূমি ছিল। অস্থায়ী মাটির কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তাই পরিবেশগত দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে মাটি অপসারণ করে জলাভূমিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ভায়াডাক্টের নিচ থেকে মাটি সরানোর ফলে সেতুর নিরাপত্তা বা কাঠামোর ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ ভায়াডাক্টটি প্রায় ২০০ ফুট গভীরে স্থাপিত শক্তিশালী পাইলের ওপর নির্মিত হয়েছে। অস্থায়ী মাটি অপসারণের পরও পাইল ক্যাপ ও মূল কাঠামো নিরাপদ অবস্থানে থাকবে।

তিনি জানান, প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদনে কাজ শেষে অস্থায়ী মাটির রাস্তা অপসারণ করে প্রকল্প এলাকাকে পূর্বের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুসারেই কাজ করা হচ্ছে।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ভায়াডাক্টের নিচে মোট ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪ দশমিক ৪১ কিলোমিটার অংশের মাটি অপসারণ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে আলীগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় প্রায় ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার অংশের কাজ বাকি রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ভায়াডাক্টের নিচের সম্পূর্ণ জমি বাংলাদেশ রেলওয়ের মালিকানাধীন এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনার জন্য সংরক্ষিত। সেখানে কোনো অননুমোদিত সড়ক বা স্থাপনা রাখা নিরাপত্তা ও পরিকল্পনার পরিপন্থী। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের চলাচলের জন্য বিকল্প পাকা সড়ক বিদ্যমান থাকায় অস্থায়ী মাটির রাস্তার প্রয়োজনীয়তা নেই।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর