বিহারীদের উদ্দেশ্যে মামুন মাহমুদ; ‘আপনারা এমপি বা মন্ত্রীও হতে পারবেন’
বিহারী ক্যাম্পের বিহারীদের উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, ভোটার হওয়ার মাধ্যমে আপনারা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে মর্যাদা পেয়েছেন। এখন আপনারা সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করাতে পারেন, সমাজের মূলধারায় মিলেমিশে চলতে পারেন, রাজনীতি করতে পারেন, এমনকি কাউন্সিলর, এমপি বা মন্ত্রীও হতে পারেন।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা প্রচারণায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৬ নং ওয়ার্ডে বিহারী ক্যাম্পের সাড়ে তিন শত পরিবারের মাঝে মশারী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিহারী ক্যাম্পের চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য অকিল উদ্দিন ভুইয়া এবং যুবদল নেতা ওয়াসিম আসলাম।
মামুন মাহমুদ বলেন, স্বাধীনতার চার দশক পরও এই এলাকার মানুষ নাগরিক হিসেবে ভোটার হতে পারেন নি। ২০০৩ সালে বিষয়টি উপলব্ধি করে তিনি উদ্যোগ নেন তাদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার। সে সময় হাইকোর্টে রিট হয় বিহারীদের ভোটার করা যাবে কি না। ২০০৮ সালে আদালতের রায়ের পর তিনি স্থানীয়ভাবে অনেককে ভোটার হওয়ার পরামর্শ দেন এবং সেই উদ্যোগের ফলেই আজ এই এলাকার সাত হাজারেরও বেশি মানুষ ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
বিএনপি নেতা আরও বলেন, “তারেক রহমান রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের যে ৩১ দফা ঘোষণা করেছেন, তা দেশের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সংস্কারের পরিকল্পনা। গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনার শাসনামলে রাষ্ট্রযন্ত্র ধ্বংস হয়েছে—বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন ভেঙে পড়েছে, দুর্নীতি ও লুটপাটে দেশকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। হাসিনা সরকারের আমলেই দেশে মাদক ছড়িয়ে পড়েছে এবং মানুষের চরিত্র নষ্ট হয়েছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, “এই সরকার জনগণের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। জোর করে ভোট দিয়েছে, মানুষের মতামতকে দমন করেছে। এই অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য বিএনপি ১৬ বছর রাজপথে সংগ্রাম করেছে, সেই সংগ্রামের ফলেই খুনি শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব হয়েছে।” এর আগে তিনি আদমজী এলাকায় ৩১ দফার প্রচারপত্র বিলি ও গণসংযোগ করেন।








আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...