বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কাভার করবেন ‘নিউজ টু নারায়ণগঞ্জ’-এর সম্পাদক মোঃ ইব্রাহীম খলিল সমুদ্রে ৪ নম্বর বিপদ সংকেতেও এই স্পিডবোট উদ্ধার কাজ করতে সক্ষম: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী দুলু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ‘অটো ফাইন সিস্টেম’, বন্ধ হবে চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিদ্ধিরগঞ্জে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার ঐক্যবদ্ধভাবে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: মান্নান নারায়ণগঞ্জ সদরে শুরু হলো ২০ দিনব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কালিবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শনে জামায়াত নেতারা বিদেশি পিস্তল-গুলি-হেরোইনসহ আড়াইহাজারের রনি ভূঁইয়া আটক বন্দরে চাঁদার দাবিতে ডক ইয়ার্ডে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সীমান্ত হত্যা মামলায় ৩জনের মৃত্যুদণ্ড

সমুদ্রে ৪ নম্বর বিপদ সংকেতেও এই স্পিডবোট উদ্ধার কাজ করতে সক্ষম: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী দুলু

আল আমীন অর্ণব / ১২ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জাইকার অর্থায়নে ১২টি উপকূলীয় জেলায় স্পিডবোট বিতরণ করা হয়েছে। দুর্যোগের সময় দুর্গম এলাকায় দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য এসব স্পিডবোট ব্যবহার করা হবে। ডাবল ইঞ্জিনের এসব স্পিডবোট সমুদ্রে ৪ নম্বর বিপদ সংকেত জারি থাকলেও উদ্ধারকাজ পরিচালনায় সক্ষম বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দেশের দুর্যোগকালীন জরুরি উদ্ধারকাজে ব্যবহারের জন্য ১২টি উপকূলীয় জেলায় স্পিডবোট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘উদ্ধারযান হিসেবে জাইকার অর্থায়নে আজ ১২টি উপকূলীয় অঞ্চলে স্পিডবোট দেওয়া হচ্ছে। আমাদের আরও প্রকল্প রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২৫টি জেলায় এসব বোট দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই বোটগুলো ডাবল ইঞ্জিনসম্পন্ন। সমুদ্রে ৪ নম্বর বিপদ সংকেত দেখা গেলেও এটা সেখানে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে পারবে।’

দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার তৎপরতার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বন্যার সময় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত জরুরি। জলোচ্ছ্বাস কিংবা ঘূর্ণিঝড় হলে দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়াই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। আজকের এই স্পিডবোট হস্তান্তর কার্যক্রমকে তিনি দুর্যোগ মোকাবিলায় একটি মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের অন্যান্য জেলাতেও উদ্ধারযান দেওয়ার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই এসব জেলায় বোট হস্তান্তর করা হবে। বিশেষ করে হাওড়াঞ্চলকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক বন্যার প্রসঙ্গে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, বন্যার সময় দ্রুততার সঙ্গে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের শুকনা ও রান্না করা খাবার দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় তারা এখন নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও ভেঙে যাওয়া বাড়িঘর পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের বীজ দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো কাবিখার মাধ্যমে পুনর্নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি এলজিইডির আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোও দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতার জন্য জাপান সরকার ও জাইকাকে ধন্যবাদ জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর