শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
এতে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. এএফএম মুশিউর রহমান, সদর উপজেলা ইউএনও তাছলিমা শিরিন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহামুদ, যুগ্ম আহবায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজিব, মহানগ বিএনপি আহ্বায়ক এড সাখাওত হোসেন খান, মহানগর সদস্য সচিব এড আবু আল ইউসুফ খান টিপু, গণসংহতি আন্দোলনের জেলার সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম সুজন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, এছাড়াও বিভিন্ন থানা ও জেলা পর্যায় পূজা কমিটির সভাপতি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আলমগীর হুসাইনের সঞ্চালনায় সভায় পূজা কমিটি সদস্যরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন।
পরে সমাপনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবটি নতুন নয় এটি শত বৎসরে একটি উৎসব। শারদীয় উৎসবটি এর আগওে পলিত হয়েছে আগামীতেও হবে। এটি নির্ভর করবে এই উৎসবটিকে কিভাবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পেরেছি। কতটা সুন্দোর্য তুলে ধরতে পেরেছি। আমরা এটি যতটা সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে পারবো এটাই আমাদের স্বার্থকতা। এর আগে যারা করেছে সেটা তাদের স্বার্থকতা বা ব্যর্থতা। আমরা আমাদের স্বার্থকতা ফুটিয়ে তুলতে চাই।
তিনি আরো বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করবো। সকলের অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপন শেষ পর্যন্ত সফলতার সাথে শেষ করাই স্বার্থকতা। এই আয়োজনে প্রতিটি ধাপ সর্তকতার সাথে সুন্দরভাবে করতে পারি তার জন্য সকলকে দায়িত্বশীলতার সাথে দায়িত্বপালন করতে হবে। সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে।
আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আজকে সভায় যে বিষয় গুলো উঠেছে তার মধ্যে ঘাট, বিদুৎ, সামগ্রীক বিষয় এর সাথে সকল সংশ্লিষ্ট একটি আলাদা আলাদা একটি কমিটি গঠন হবে এবং ২২০ টি মন্ডপের নাম্বার নিয়ে একটি ওয়াটসাপ গ্রুপ হবে। আমাদের একটি পেইজে সকল বিষয় তুলে ধরা হবে।
এছাড়াও পূজা অনুষ্ঠানের ঐতিহ্য তুলে ধরে ডিসি বলেন, পূজার সময় আরতি করা হয় সেই সৌন্দর্য আমরা দেখতে চাই। অনেক সময় দেখা যায় আরতির সময় একটি অন্য ধরনের মিউজিক (সঙ্গীত) চলে আসছে আমরা সেই সৌন্দর্য দেখতে চাই। আপনাদের এই ঐতহ্য ধরে রাখতে হবে। এটি যেনো হারিয়ে না যায়।








আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...