সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
খবর প্রতিদিন সম্পাদকের জন্মদিন উদযাপন মন্ডলপাড়ার ‘জ্বিনের মসজিদ’ ঘিরে আগ্রহ, তথ্য মিললে সংরক্ষণের আশ্বাস ডিসির বন্দরে মদনগঞ্জে আবারও অগ্নিকান্ড নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে যমুনা টেলিভিশনের যুগপূর্তি উদযাপন বক্তাবলীতে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ভুয়া ও হলুদ সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য: নারায়ণগঞ্জে বাড়ছে হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ আড়াইহাজারে কুপিয়ে দুজনকে মারাত্বক আহত করেছ। আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ জাতীয় পর্যায়ে গীতা পাঠ প্রতিযোগিতায় নারায়ণগঞ্জের ব্যাপক অংশগ্রহণ সোনারগাঁয়ে হাইওয়ের পাশে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার রবিবার থেকে অফিস চলবে ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, প্রজ্ঞাপন জারি

মন্ডলপাড়ার ‘জ্বিনের মসজিদ’ ঘিরে আগ্রহ, তথ্য মিললে সংরক্ষণের আশ্বাস ডিসির

খবর প্রতিদিন রিপোর্ট / ৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ শহরের মন্ডলপাড়া এলাকায় অবস্থিত এক গম্বুজবিশিষ্ট প্রাচীন মসজিদটি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এটি অন্তত ৪০০ বছরের পুরোনো। তবে নির্ভরযোগ্য ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্য মিললে তবেই সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে মসজিদটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের সময় ডিসি বলেন, কয়েকদিন ধরেই মসজিদটি নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে শুনছিলেন। কোথাও কোথাও এটি ১৪৮২ সালে নির্মিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে, আবার স্থানীয়দের কাছ থেকে নানা জনশ্রুতিও পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত মসজিদটির সুনির্দিষ্ট কোনো লিখিত ইতিহাস বা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকায় এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, স্থাপনাটি সরেজমিনে দেখে ধারণা পাওয়া যায়—এটি একসময় হয়তো আরও বড় ছিল। বর্তমানে একটি গম্বুজবিশিষ্ট কাঠামো রয়েছে, যার দেয়াল বেশ পুরু। প্রবেশপথে একটি সালও লেখা আছে, যা যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে।

স্থানীয়দের কাছে মসজিদটি ‘জ্বিনের মসজিদ’ নামে পরিচিত। প্রচলিত আছে, এখানে জ্বিনেরা নামাজ আদায় করে। আশপাশে নতুন স্থাপনা নির্মাণ হলেও পুরোনো এই অংশটি অক্ষত রাখা হয়েছে। এমনকি পাশেই জেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হলেও এই ছোট্ট মসজিদটি ভাঙা হয়নি।

ডিসি রায়হান কবির বলেন, ইতিহাসভিত্তিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের বিষয়ে তার আগ্রহ রয়েছে। যদি এটি সুলতানি আমলের কোনো স্থাপনা হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। সে জন্য ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের সঙ্গে আলোচনা করে মসজিদটির প্রকৃত তথ্য অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মাধ্যমে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। পাশাপাশি এটিকে জেলার পর্যটন খাতের সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে, যাতে ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস তুলে ধরা যায়।

মসজিদ পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সিফাত উদ্দিন, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন এবং সহকারী কমিশনার আরিফ ইশতিয়াক উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর