রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের (হোসিয়ারি মালিক সমিতির সভাপতি) বদিউজ্জামান বদু ঈদ শুভেচ্ছা। মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে গরুর মাংস বিতরণ এসএসসি ১৯৮৬ ব্যাচের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত পূর্ব গোপালনগরে শেখ পরিবার ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী ইফতার ও ঈদ উপহার বিতরণ নিরব রায়হানের উদ্যোগে শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ। জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। নারায়ণগঞ্জে অসহায় মানুষের সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের ইফতার। নারায়ণগঞ্জে কনস্টেবল নিয়োগের শারীরিক পরীক্ষা ২১ এপ্রিল থেকে। নারায়ণগঞ্জে লোকনাথ গীতা শিক্ষালয়ের প্রথম ক্লাস শুরু। লাঙ্গলবন্দ ব্রহ্মপুত্র নদ রক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ সভা।

অচীরেই শাস্তি প্রত্যাহারের দাবি, `রিয়াদকে নিয়ে ফতুল্লায় সর্বত্রই আলোচনার ঝড়’

খবর প্রতিদিন রিপোর্ট: / ২৭৬ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫

জনপ্রিয়তা যে কোন কোন সময় কাল হয়ে দাঁড়ায়, তার জলন্ত প্রমান ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সফল সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী। জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত ফতুল্লা থানা বিএনপি থেকে শুরু করে অঙ্গদলের সিংহভাগ নেতা কর্মী সমর্থক রিয়াদ চৌধুরীর অনুগত। আলীরটেক থেকে কুতুবপুর পর্যন্ত, জাতীয়তাবাদী দলের আজকের অবস্থান যে শক্তিশালী হয়ে গড়ে উঠেছে তার বেশিরভাগ অবদান রয়েছে রিয়াদের। এই কথা কট্টর সমালোচকরাও শিকার করবে। তাই দলের ভিতরে বাইরে থাকা একটি পক্ষ রিয়াদকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে না পেরে, তার জনপ্রিয়তাকে ধ্বস নামানোর জন্য সূদুরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে একটি অডিও’র কথপোকথনকে পুঁজি করে অপপ্রচার করে সাময়িকভাবে বাহবা পেলেও, ফতুল্লা বিএনপির অঙ্গদল ও সাধরণ মানুষের কাছে দুধের মতো পরিষ্কার হয়ে উঠেছে যে, রিয়াদকে, রিয়াদের জনপ্রিয়তাকে ক্ষুন্ন করার জন্যেই ঐ অডিও প্রচার করা হয়েছিল। কারণ যাকে নিয়ে অডিওটি প্রচার করা হয়েছিল, তিনি ঘটনার পরপরই রিয়াদের বিরুদ্ধে তার কোন অভিযোগ নেই বলে প্রচার মাধ্যমে ঘটা করে জানান এবং রিয়াদের বিরুদ্ধে তিনি আইনগত কোন ব্যবস্থাও গ্রহণ করেননি।

কেন্দ্রীয় বিএনপি অডিও রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে রিয়াদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার পর ফতুল্লা বিএনপির সকল কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরে। যা বর্তমানেও রয়েছে বিরাজমান। ফতুল্লা বিএনপিও অঙ্গ দল ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দাবি উঠেছে নির্বাচনের পূর্বে যদি রিয়াদের শাস্তি প্রত্যাহার না করা হয় তাহলে ফতুল্লার বিএনপি ও অঙ্গ দলের নেতাকর্মী সমর্থকদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হতে পারে, এই নিয়ে রিয়াদকে নিয়ে ফতুল্লায় আলোচনা ঝড় বইতে শুরু করেছে। এমন মন্তব্য রাজনীতিবিদ ও সাধারণ মানুষের। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বিএনপি একটি অডিও রেকর্ডের উপর নির্ভর করে রিয়াদকে শাস্তি দিলেও দলের অবস্থানকে ধরে রাখার জন্য রিয়াদ প্রতিনিয়তই কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তারেক জিয়ার ৩১ দফা বাস্তবায়নের লিফলেট বিতরণসহ জনকল্যাণে কাজ, গত দূর্গা ও কালীপূজা যাতে করে সনাতন ধর্মের লোকজন নিশ্চিন্তে উৎসব পালনকরতে পারে তার জন্য ষষ্ঠীর দিন থেকে শুরু করে দশমীর বিসর্জন পর্যন্ত তার অনুগত নেতাকর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিরামহীনভাবে পাহারা দেয়ার ব্যবস্থা করে রিয়াদ। ফতুল্লা এলাকায় বসবাসরত সনাতন ধর্মের সকল লোকজন এর জন্যে রিয়াদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। জন ও যান চলাচলের অযোগ্য বেশ ক’টি রাস্তা নিজ অর্থে সচল করে দিয়ে রিয়াদ ফতুল্লায় বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। রিয়াদের বিরুদ্ধে যে পক্ষটি আধাজল খেয়ে মাঠে নেমেছিল তাদের মুখোশ সকলের কাছে ইতিমধ্যেই উন্মোচিত হয়ে পরেছে। রিয়াদকে নিয়ে যে পক্ষটি মিথ্যাচার অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে তার নেপথ্য কারণ সম্পর্কে জানা যায় একসময় ফতুল্লা ছাত্রলীগ এতোই শক্তিশালী ছিল যে, তাদের দাপটে ছাত্রদল মাথা তুলে দাঁড়াতে পারতো না। রিয়াদ যখন ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিতে আসে, তখন সারা ফতুল্লা জুড়েই ছাত্রলীগের একছত্র আধিপত্য ছিলো। রিয়াদের দুরদর্শী নেতৃত্বে তখন ছাত্রলীগের অবস্থান নড়েবরে হয়ে উঠে। রিয়াদের নেতৃত্বে ফতুল্লা ছাত্রদল হয়ে উঠে শক্তিশালী।
ছাত্রদল থেকে মুল দলের দায়িত্বে আসার পর ফতুল্লা বিএনপিকে অন্য যেকোন থানা বিএনপির চেয়ে শক্তিশালি অবস্থানে নিয়ে আসে রিয়াদ।

২০০১ সালে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগের দেয়া বেশক’টি মামলার মধ্যে একটি মামলায় রিয়াদ জেলে ছিল। যেদিন জেল থেকে মুক্ত হয়, প্রিয় নেতাকে দেখা ও বরণ করার জন্য হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ জেল গেট থেকে মিছিল সহকারে রিয়াদকে ফতুল্লা নিয়ে আসে। ঐদিনের জনপ্রিয়তা দেখে রিয়াদকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গন অতিক্রম করে কেন্দ্রেও আলোচনার ঝড় উঠে। পরবর্তীতে রিয়াদের জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে দলের ভেতরের ও বাইরের একটি পক্ষ নেতৃত্বের লড়াইয়ে টিকতে পারবে না মনে করে দীর্ঘদিন থেকেই নানা ভাবে রিয়াদের বিরোধীতা করে আসছে।

সাবেক সরকারের শাসনামলের দীর্ঘ ষোল বছর ফতুল্লার অনেক নেতা এলাকা ছেড়ে চলে যায়, আবার কেউ কেউ দল করবে না বলে ঘোষণাও দেয়। অনেকে আবার আওয়ামী লীগের সাথে ব্যবসা-বানিজ্য করে অর্থে বিত্তে প্রতিষ্ঠিত হয়। আন্দোলন সংগ্রামে অনেকেই পর্দার আড়ালে চলে গেলেও রিয়াদ কখনো প্রকাশ্যে, কখনো নেপথ্যে থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে হামলা-মামলার শিকার হয়ে সভা সমাবেশ মিটিং মিছিল করে দলকে চাঙ্গা করে রাখে।

রিয়াদের ডাকে অল্প সময়ের মধ্যে শতশত নেতা কর্মী সমর্থক ঐক্যবদ্ধ হয়ে যায়। ফতুল্লা থানা এলাকার বিএনপি ও অঙ্গদলের সিংহভাগ নেতাকর্মী রিয়াদের অনুগত। জেলা বিএনপি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছেও রয়েছে রিয়াদের রয়েছে ব্যপক পরিচিতি। অতএব রিয়াদকে ফাঁসাতে হবে, নেতৃত্বের লড়াইয়ে হেরে যাওয়া, একটি পক্ষের রোষানলের শিকার হয় রিয়াদ। একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পক্ষটি রিয়াদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে ধস নামানোর চেষ্টা করে। সাময়িকভাবে তারা সফল হলেও বর্তমানে ফতুল্লা থানা বিএনপির অঙ্গ দল ও সাধারণ মানুষের মাঝে আলোচনার ঝড় উঠেছে। সকলের দাবি একটাই, রিয়াদের শাস্তি প্রত্যাহার করতে হবে। অপশক্তি, পরাজিত শক্তি যেভাবে গোটা ফতুল্লা থানা এলাকায় শকুনের দৃষ্টি নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে, তাদের দমাতে হলে রিয়াদের নেতৃত্ব বর্তমানে অতীব জরুরী বলে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অন্যান্য দলের প্রথম সারির অনেক নেতৃবৃন্দ মনে করেন।

দল থেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রসঙ্গে রিয়াদের ভাষ্য একটাই, আমি জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে অন্দোলন সংগ্রামে চেষ্টা করেছি দলের প্রতিটি কার্যক্রম স্বচ্ছ ও সঠিকভাবে পালন করার জন্যে। আর তা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আমাকে কি ধরণের লড়াই সংগ্রাম করতে হয়েছে তা কারো অজানা নেই। দল যা ভালো মনে করেছে, আমার বিরুদ্ধে তাই করেছে। তাতে করে আমার কোন অভিযোগ নেই, ভবিষ্যতেও থাকবে না। আমি শহীদ সফল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও দেশপ্রেমের ঘটনা শুনে ছোটবেলা থেকেই জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতি করবো বলে ঠিক করি। পরবর্তীতে তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আপোষহীন নেতৃত্ব আমার চিন্তা শক্তিকে আরও বেগবান করে তোলে। সাবেক সরকারের শেষদিন পর্যন্ত একের পর এক মামলা দিয়ে, আমার বাড়িতে আওয়ামী পুলিশ হামলা করে আমার চলার পথকে থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও আমি বিচলিত হইনি। আমি যখন দেখতাম প্রবাসে অবস্থান করে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধকরে রাখার জন্য ১৬ কোটি মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে, আগামী দিনের সমগ্র বাঙালী জাতির অহংকার আগামী দিনে যার নেতৃত্বে এই দেশে শতভাগ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে, আমার নেতা জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার মনোবল আমি সহ সারা বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী চেতনাকে উজ্জীবিত করে তোলে। আমি জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে এসে কি পেয়েছি কি পাইনি, দল আমার জন্য কি ব্যবস্থা নেবে তাও আমার জানা নেই। একটা কথাই বলবো, আমাদের নেতা তারেক জিয়া ৩১ দফা দাবী বাস্তবায়ন করার মধ্য দিয়ে যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, আমি তারেক জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে একজন কর্মী হয়েই মরণোত্তর জাতীয়তাবাদী দলের পতাকাতলে থাকতে চাই।

 

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর