সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
লোকনাথ গীতা শিক্ষালয়ের উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত। দুর্দিনের কাণ্ডারি টিপু, তৃণমূল চায় এই ত্যাগী নেতার মূল্যায়ন। জ্বালানি সংকটের গুঞ্জন, চাষাঢ়ার ফিলিং স্টেশনে বাড়তি ক্রেতা। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল। বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সম্মিলিত নাট্যকর্মী ঐক্য জোট আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল। ত্বকী হত্যা ১৩ বছর পরও বিচার না হওয়া ঘটনাটি অনেকের কাছে বিচারহীনতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২১ মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৩৪ চেম্বারের ইফতারে দিপু ভূঁইয়ার অভূতপূর্ব মিলনমেলা।

জ্বালানি সংকটের গুঞ্জন, চাষাঢ়ার ফিলিং স্টেশনে বাড়তি ক্রেতা।

খবর প্রতিদিন রিপোর্ট / ৬৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘিরে দেশে জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ায় নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া এলাকায় বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। আগাম সতর্কতা হিসেবে অনেকেই গাড়ি ও মোটরসাইকেলের ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) চাষাঢ়া এলাকার কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা কিছুটা বেশি। অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি সংগ্রহ করছেন।

চাষাঢ়ার মেসার্স আজগর সিএনজি ফিলিং স্টেশনের এক কর্মচারী জানান, স্টেশনটিতে আপাতত জ্বালানি তেল নেই। তিনি বলেন, “শুক্রবার ও শনিবার ডিপোগুলো সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে। তাই এই দুই দিনে সরবরাহ পাওয়া যায় না। রবিবার থেকে আবার সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।”

চাষাঢ়া শহীদ মিনার সংলগ্ন প্রান্তিক সার্ভিস স্টেশনের বিক্রেতা মো. মন্টু বলেন, “আসলে তেলের কোনো সংকট নেই। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের কথা ছড়ানোয় মানুষ একটু আতঙ্কে আছে। অনেকেই ট্যাংক ভরে নিচ্ছেন। আমরা সবাইকে তেল দিতে পারি, এজন্য প্রয়োজনের বেশি দিচ্ছি না।”

তিনি আরও জানান, আগের মতো নিয়মিত সরবরাহ না থাকায় মজুতের ওপর নির্ভর করে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।

বর্তমানে জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অকটেন প্রতি লিটার ১২০ টাকা এবং ডিজেল প্রতি লিটার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক মো. পারভেজ বলেন, “শুনছি সামনে তেলের সংকট হতে পারে। তাই আগে থেকেই একটু ভরে রাখছি। তবে সরকার বলছে দেশে দুই সপ্তাহের বেশি জ্বালানি মজুত আছে।”

আরেক গাড়িচালক ইদ্রিস মাহমুদ বলেন, “গাড়িতে তেল ছিল, তারপরও পুরো ট্যাংক ভরে নিচ্ছি। যদি হঠাৎ সংকট হয় তাহলে সমস্যা হবে।”

ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘিরে গুজব ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই সতর্ক হয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করছেন। তবে সরবরাহ অব্যাহত থাকলে বাজারে কোনো ধরনের সংকট দেখা দেবে না বলেও তারা জানিয়েছেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর